লাইলাতুল কদরের ফজিলত

এডভোকেট মোহাম্মদ ইমদাদুল হক পাটওয়ারী
আপডেটঃ মে ১৭, ২০২০ | ৩:০৪ 338 ভিউ
এডভোকেট মোহাম্মদ ইমদাদুল হক পাটওয়ারী
আপডেটঃ মে ১৭, ২০২০ | ৩:০৪ 338 ভিউ
Link Copied!

“কদর” শব্দের অর্থ মাহাত্ম্য ও সম্মান। পরিত্র কুরআনে সুরা আল-কাদর এ “লাইলাতুল কাদর” শব্দটি দ্বারা “মহিমান্বিত রাত” বুঝানো হয়েছে। এ রাতের সম্মান ও মর্যাদা অন্যান্য রাতের চেয়ে অনেক উর্ধ্বে। এ রাতের সম্মান ও মর্যাদাকে হাজার মাসের রাতের চেয়ে অনেক উর্ধ্বে। লাইলাতুল কদর এর সম্মান ও মর্যাদা সম্পর্কে আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন সুরা আল-কাদর নাযিল করেন। আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন:-
انا انزلنه فى ليلة القدر – وما ادرك ما ليلة القدر – ليلة القدر خير من الف شهر – تنزل الملءكة والرح فيها باذن ربهم من كل امر – سلم، هى حت مطلع الفجر –
অর্থাৎ-
(১) নিশ্চয় আমি কুরআন নাযিল করেছি লাইলাতুল কদরে (এক মহিমান্বিত ও সম্মানিত রাতে)
(২) আর আপনি কি জানেন ‘লাইলাতুল কদর’ কি?
(৩) ‘লাইলাতুল কদর’ হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ।
(৪) সে রাতে ফেরেশতাগণ ও রূহ নাযিল হয় তাদের রবের অনুমতিক্রমে সকল সিদ্ধান্ত নিয়ে।
(৫) শান্তিময় সে রাত, ফজরের আবির্ভাব পর্যন্ত।

এ সুরার আয়াতগুলি দ্বারাই বুঝা যায় যে, ‘লাইলাতুল কদর’ একটি মর্যাদাপূর্ণ, সম্মানিত ও মহিমান্বিত রাত। যে রাতের সম্মান ও মর্যাদা হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ।
এখানে একটি বিশ্লেষণ করা যাক:-
এক হাজার মাসে হয়, ৮৩ বছর ৪ মাস এর সমান।
আর এক হাজার মাসে হয়, ৩০,৪৩৬ দিন (হিসাবে ২/১ দিন কম বেশি হতে পারে)
অধিকাংশ মানুষ ৮৩ বছর বাঁচে না। কিন্তু, লাইলাতুল কদর এমন এক রাত, যে রাত কারো নসীব হলে, সে তার জীবনের চেয়ে শ্রেষ্ঠ একটি রাত পেল।
এ রাতে ফেরেশতাগণ ও রূহ নাযিল হয়, আল্লাহ পাকের সিদ্ধান্ত নিয়ে। অর্থাৎ এ রাতে বান্দার সকল বিষয়ে ফয়সালা দেওয়া হয়।
তাই তো এ রাত শান্তিময়, সম্মানজনক, মাহাত্যপূর্ণ মহিমান্বিত রাত।

#আসুন_হাদীসে_পাকে_এ_মহিমান্বত_রাতের_বর্ণনা:-

বিজ্ঞাপন

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত যে, নবী করীম (সা.) বলেছেন: যে ব্যক্তি রমজানে ঈমানের সাথে ও সাওয়াব লাভের আশায় সাওম পালন করে, তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ মাফ করে দেওয়া হয় এবং যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সাওয়াব লাভের আশায় লাইলাতুল কদর রাত জেগে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করে, তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ মাফ করে দেওয়া হয়। (বুখারী)
ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত যে, নবী করীম (সা.) এর কতিপয় সাহাবীকে স্বপ্নযোগে রমজানের শেষের সাত রাতে লাইলাতুল কাদর দেখানো হয়। রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন: আমাকেও তোমাদের স্বপ্নের অনুরূপ দেখানো হয়েছে। (তোমাদের দেখা ও আমার দেখা) শেষ সাত দিনের ক্ষেত্রে মিলে গেছে। অতএব যে ব্যক্তি এর সন্ধান প্রত্যাশী, সে যেন শেষ সাত রাতে সন্ধান করে। (বুখারী, মুসলিম)

আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) সূত্রে নবী (সা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: (রমজানের) শেষ সাত দিনের রাতগুলোতে লাইলাতুল কদর অন্বেষণ কর। (মুসলিম)

ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: তোমরা (রমজানের)শেষ দশকে কদরের রাত অনুসন্ধান কর। (মুসলিম)

বিজ্ঞাপন

উকবা ইবনে হুরায়স (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন; আমি ইবনে উমর (রা.) কে বলতে শুনেছি, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: তোমরা (রমজানের) শেষ দশ দিনে কদরের রাত অনুসন্ধান কর। তোমাদের মধ্যে যদি দুর্বল অথবা অপারগ হয়ে পড়ে তবে সে যেন সাত রাতে অলসতা না করে। (মুসলিম)

জাবালা (র.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনে উমর (রা.) কে নবী (সা.);এর থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে,তিনি বলেছেন: যে ব্যক্তি কদরের রাত অনুসন্ধান করতে চায়, সে যেন (রমজানের) শেষ দশকে তা অনুসন্ধান করে। (মুসলিম)

‘আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত; রাসুলুল্লাহ (সা.);বলেছেন: তোমরা রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাতে লাইলাতুল কদরের সন্ধান কর। (বুখারী, মুসলিম)

আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) রমজানের শেষ দশ দিন মসজিদে অবস্থান করতেন। বলতেন, তোমরা রমজানের শেষ দশ দিন লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান কর। এ বিষয়ে উমার, উবাই ইবনে কা’ব,জাবির ইবনে সামুরা, জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ, ইবনে ওমর, ফালাতান ইবনে আসিম, আনাস, আবু সাঈদ, আব্দুল্লাহ ইবনে উনায়স, আবু বকর, ইবনে আব্বাস, বিলাল ও উবাদা ইবনে সামিত (রা.) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবু ঈসা (র.) বলেন, আয়েশা (রা.) বর্ণিত হাদীসটি হাসান ও সহীহ্। তাঁর এই রিওয়ায়াতে উল্লেখিত শব্দ يجاور অর্থ তিনি ই’তিকাফ করতেন। এই ক্ষেত্রে অধিকাংশ রিওয়ায়াতের শব্দ হলো তোমরা শেষ দশ দিনের প্রত্যেক বিজোড় রাতে লাইলাতুল কদর তালাশ কর। রাসুলুল্লাহ (সা.) থেকে লাইলাতুল কদর সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, তা হল একুশ, তেইশ, পঁচিশ, সাতাশ, ঊনত্রিশ ও রমজানের শেষ রাত। (তিরমিজি)

#ইতিকাফ_এর_মূল_উদ্দেশ্য_লাইলাতুল_কদর_সন্ধান_করা:-

আবু সাঈদ খুদরী (রা.) থেকে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজান মাসের মাঝের দশকে ই’তিকাফ করেন। বিশ তারিখ অতীত হওয়ার সন্ধ্যায় এবং একুশ তারিখের শুরুতে তিনি এবং তাঁর সঙ্গে যাঁরা ই’তিকাফ করেছিলেন সকলেই নিজ নিজ বাড়িতে প্রস্থান করেন এবং তিনি যে মাসে ই’তিকাফ করেন ঐ মাসের যে রাত্রে ফিরে যান, সে রাতে লোকদের সামনে ভাষণ দেন। আর তাতে মাশাআল্লাহ, তাদেরকে বহু নির্দেশ দান করেন, তারপর বলেন যে, আমি এই দশকে ই’তিকাফ করেছিলাম। এরপর আমি সিদ্ধান্ত করেছি যে,শেষ দশকে ই’তিকাফ করব। সে আমার সঙ্গে ই’তিকাফ করছিল, সে যেন তার ই’তিকাফস্থলে থেকে যায়। আমাকে সে রাত দেখানো হয়েছিল, পরে তা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। (রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন): শেষ দশকে ঐ রাতের তালাশ কর এবং প্রত্যেক বেজোড় রাতে তা তালাশ কর। আমি স্বপ্নে দেখেছি যে, ঐ রাতে আমি কাদা-পানিতে সিজদা করছি। ঐ রাতে আকাশে প্রচুর মেঘের সঞ্চার হয় এবং বৃষ্টি হয়। মসজিদে রাসুলুল্লাহ (সা.) এর সালাতের স্থানেও বৃষ্টির পানি পড়তে থাকে। এটা ছিল একুশ তারিখের রাত। যখন তিনি ফজরের সালাত শেষে ফিরে বসেন, তখন আমি তাঁর দিকে তাকিয়ে দেখতে পাই যে, তাঁর মুখমণ্ডল কাদা-পানি মাখা। (বুখারী, মুসলিম)

#লাইলাতুল_কদরের_তারিখ_ভুলিয়ে_দেওয়ার_মধ্যে_রয়েছে_কল্যাণ:-
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন: আমাকে (স্বপ্নে) কদরের রাত দেখানো হয়েছিল। অতঃপর আমার পরিবারের কেউ আমাকে ঘুম থেকে জাগানোর ফলে আমাকে তা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। সুতরাং তোমরা তা শেষ দশকে অন্বেষণ কর। (মুসলিম)
আবু সাইদ খুদরী (রা.) থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) কদরের রাত অন্বেষণের উদ্দেশ্যে তার কাছে সুস্পষ্ট হওয়ার পূর্বে, রমজানের মাঝের দিকে দশ দিন ই’তিকাফ করলেন। দশ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর তিনি তাবু খুলে ফেলার নির্দেশ দিলেন। অতএব তা গুটিয়ে ফেলা হল। অতঃপর তিনি জানতে পারলেন যে, তা শেষ দশ দিনের মধ্যে আছে। তিনি পুনরায় তাবু খাটানোর নির্দেশ দিলেন। তা খাটানো হল। এরপর তিনি লোকদের নিকট উপস্থিত হয়ে বললেন, হে লোক সকল! আমাকে কদরের রাত সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছিল এবং আমি তোমাদেরকে তা জানানোর জন্য বের হলাম।কিন্তু দুই ব্যক্তি পরস্পর ঝগড়া করতে করতে উপস্থিত হল এবং তাদের সাথে ছিল শয়তান। ফলে আমি তা ভুলে যাই। অতএব তোমরা তা রমজানের শেষ দশ দিনে অন্বেষণ কর। তোমরা নবম, সপ্তম ও পঞ্চম রাতে অন্বেষণ কর। (মুসলিম)
উবাদা ইবনে সামিত (রা.) থেকে বর্ণিত; তিনি বলেন, একবার নবী করীম (সা.); আমাদেরকে লাইলাতুল কদরের (নির্দিষ্ট তারিখের) অবহিত করার জন্য বের হয়েছিলেন। তখন দু’জন মুসলমান ঝগড়া করছিল। তা দেখে তিনি বললেন: আমি তোমাদেরকে লাইলাতুল কদরের সংবাদ দিবার জন্য বের হয়েছিলাম। তখন অমুক অমুক ঝগড়া করছিল, ফলে তার (নির্দিষ্ট তারিখের) পরিচয় হারিয়ে যায়। সম্ভবত: এর মধ্যে তোমাদের জন্য কল্যাণ নিহিত রয়েছে। তোমরা নবম, সপ্তম ও পঞ্চম রাতে তা তালাশ কর। (বুখারী)

এখানে উল্লেখ্য যে, লাইলাতুল কদর একটি মহিমান্বিত রাত। যে রাত হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ। তাই বান্দা এ রাতটি পাওয়ার জন্য অবশ্যই বিশেষ সাধনা করা দরকার। বেশিরভাগ হাদীসের বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, লাইলাতুল কদর হল, রমজানের শেষ দশকে বিজোড় রাতে। এখানে ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে, তার অর্থ হলো, রমজানের শেষ দশকে কষ্ট ও সাধনার মাধ্যমে লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান করা। আর এখানে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: আমাকে ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এর মধ্যে কল্যাণ নিহিত রয়েছে। অর্থাৎ, এ ভুলিয়ে দেওয়াটাই ছিল কল্যাণ। আর এ কল্যাণ হল, বান্দা যাতে কঠোর সাধনা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে রমজানের শেষ দশকে লাইলাতুল কদর তালাশ করে।

#লাইলাতুল_কদর_রাত্রি_নিয়ে_বিভিন্ন_তারিখের_বর্ণনা:-
ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত যে, নবী করীম (সা.) বলেছেন: তোমরা তা (লাইলাতুল কাদর) রমজানের শেষ দশকে তালাশ কর। লাইলাতুল কাদর (শেষ দিক হতে গণনায়) নবম, সপ্তম বা পঞ্চম রাত অবশিষ্ট থাকে। (বুখারী)

ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে অন্য সূত্রে বর্ণিত যে, তোমরা ২৪তম রাতে (লাইলাতুল কাদর) তালাশ কর। (বুখারী)
সালিম ইবনে আব্দুল আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (র.) থেকে বর্ণিত: তার পিতা (আব্দুল্লাহ (রা.) ) বলেছেন: আমি রাসূলুল্লাহ্ (সা.) কে লাইলাতুল কদর সম্পর্কে বলতে শুনেছি, তোমাদের অতিশয় লোককে দেখানো হলো যে, তা রমজানের প্রথম সাত দিনের মধ্যে আবার কতিপয় লোককে দেখানো হলো যে তা শেষ সাত দিনের মধ্যে। অতএব (রমজানের) শেষ দশকে মধ্যে তা অন্বেষণ কর। (মুসলিম)

সাতাশ রমজান লাইলাতুল কদর হওয়ার হাদিস:-

সালিম (র.) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত: তিনি (পিতা) বলেন: এক ব্যক্তি (রমজানের) ২৭তম রাতে লাইলাতুল কদর দেখতে পেল। নবী (সা.) বললেন, আমাকেও তোমার মত স্বপ্ন দেখানো হয়েছে যে, তা রমজানের শেষ দশকে নিহিত আছে। অতএব এর বেজোড় রাত্রিগুলোতে তা অনুসন্ধান কর।
(মুসলিম)
যির ইবনে হুবায়শ (রা.) থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, আমি উবাই ইবনে কা’ব (রা.) কে বললাম: আপনার ভাই ‘আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন: যে ব্যক্তি গোটা বছর রাত জাগরণ করে, সে কদরের রাত এর সন্ধান পাবে। তিনি (উবাই) বললেন, আল্লাহ তাকে রহম করুন আসলে এর দ্বারা তাঁর উদ্দেশ্য হচ্ছে যে, লোকেরা যেন কেবল একটি রাতের উপর ভরসা করে বসে না থাকে। তিনি অবশ্যই জানেন যে তার রমজানের শেষের দশ দিনের মধ্যে এবং তা ২৭তম রজনী। অতঃপর তিনি শপথ করে বললেন, তা ২৭তম রজনী। তিনি ইনশাআল্লাহ বললেন না।য়আমি বললাম: হে আবুল মুনযির আপনি কিসের ভিত্তিতে তা বলেছেন? তিনি বললেন, বিভিন্ন আলামত ও নিদর্শনের ভিত্তিতে– যে সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদেরকে অবহিত করেছেন। যেমন, সেদিন সূর্য উঠবে কিন্তু তার আলোতে থাকবে না। (মুসলিম)
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সামনে কদরের রাত সম্পর্কে আলাপ-আলোচনা করছিলাম। তিনি বললেন; তোমাদের মধ্যে কে সেই (রাত) স্বরণ রাখবে, যখন চাঁদ উদিত হবে থালার একটি টুকরার ন্যায়। (মুসলিম, তিরমিযি)
আর এ হাদীসের আলোকে ২৭তম রাতে লাইলাতুল কদর সাব্যস্ত করা হয়েছে।
আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে লাইলাতুল কদর এর পাওয়ার তৌফিক দান করুন এবং লাইলাতুল কদরের পূর্ণ ফজিলত দান করুন। আমিন।

লেখক:-
Advocate Muhammed Imdadul haque patwary.
Judge court. Chandpur.
মোবাইল:
+8801703704121

ট্যাগ:

শীর্ষ সংবাদ:
জামিনে মুক্তি পেলেন ইউসুফ গাজী আওয়ামীলীগ নেতা রফিকুল্লাহকে খুন করে ট্রেনে কাটা পড়েন দশম শ্রেণির ছাত্র অমিত দাস পূর্ব হাটিলায় সামাজিক-সম্প্রীতি কমিটির সমাবেশ অনুষ্ঠিত কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে না পেরে গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যা হাজীগঞ্জে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদন্ড চিকিৎসার খরচা মেটাতে আর্থিক সহযোগিতা প্রয়োজন এরশাদের যাত্রীবাহি ইজিবাইক থেকে নয় কোটি টাকার করেন্ট জাল জব্দ বেয়াই হলেন আসিফ তিন হাজার ৭৫২ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার তিন বিপিএলের তিন আসরে সাত দলের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হাজীগঞ্জে ২৮,২৭০ জন নতুন ভোটার, বাদ পড়েছেন ৭,৮৯১ জন চাঁদপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে যুবকের মৃত্যু মতলব উত্তরে চার প্রতিষ্ঠানকে ৩১ হাজার টাকা জরিমানা আওয়ামীলীগ রাজপথে ছিল, আছে এবং থাকবে: মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী দুইজন গোপন ভিডিও ভাইরাল করার হুমকি: ফেনীর জাহেদ আটক গোপন ভিডিও ভাইরাল করার হুমকি: ফেনীর জাহেদ আটক মেঘনায় বজ্রপাতে জেলে নিখোঁজ, আহত এক কচুয়ায় পুলিশের অভিযানে মাদকদ্রব্যসহ আটক ১ চাঁদপুরে আওয়ামীলীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা রফিকউল্লাহ কোম্পানি ছুরিকাঘাতে খুন