হাজীগঞ্জে মেসার্স মাদ্দাহখাঁ এন্টারপ্রাইজ নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

পপুলার বিডিনিউজ রিপোর্ট
আপডেটঃ জুলাই ৭, ২০২০ | ৭:৫৫
পপুলার বিডিনিউজ রিপোর্ট
আপডেটঃ জুলাই ৭, ২০২০ | ৭:৫৫
Link Copied!

হাজীগঞ্জ পৌর এলাকার চাঁদপুর-কুমিল্লা মহাসড়কের এনায়েতপুর শৈলখালী ব্রীজের দক্ষিণ পাশে স্থাপিত মেসার্স মাদ্দাহখাঁ এন্টারপ্রাইজ। ওই এন্টারপ্রাইজের বালুমাহলের পরিচালক জহিরুল ইসলাম মামুন ও মাসুদ ইকবাল গংরা। গত দুই বছর ধরে বিভিন্ন অযুহাতে হয়রানি ও ষড়যন্ত্র করার অভিযোগ উঠেছে।

সম্প্রতি নতুন বালুমহাল নিয়ে একটি পক্ষ বিভিন্ন অজুহাতে কাজ বন্ধ ও উচ্ছেদের জন্য আবেদন করেছেন। আবেদনকারীরা স্থানীয় কেউ না। তারা বরিশাল বিভাগের বাসিন্দা। জানা গেছে, গত বছর একধিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে কোন সত্যতা পায়নি হাজীগঞ্জ উপজেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তা জিয়াউল ইসলাম।

মেসার্স মাদ্দাহখাঁ এন্টারপ্রাইজের পরিচালক জহিরুল ইসলাম মামুন বলেন, আমাদের ব্যবসায়িক কাজে শুরু থেকে একটি পক্ষ বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছে। শুধু হয়রানি নয়, তারা গত দুই বছর ধরে বিভিন্নভাবে কাজে বাধা সৃষ্টি ও চাঁদা দাবি করছে বলেও তিনি জানান।

বিজ্ঞাপন

মামুন বলেন, আলীগঞ্জ এলাকায় চার ভাইয়ের রাজত্ব চলছে। চার ভাই হলো স্বপন, শাহাদাত, আজাদ ও সজীব মজুমদার। তারা প্রকাশ্যে আবার অস্থায়ী বাসিন্দাদের দিয়ে আমাদের মাদ্দাহখাঁ এন্টারপ্রাইজের কার্যক্রম বন্ধ করতে উঠেপড়ে লেগেছে।

তিনি আরো বলেন, স্বপন মজুমদারের মজুমদার ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী। তিনি ঈর্ষান্বিত হয়ে আমাদেরকে এখানে ব্যবসা করতে দিচ্ছে না। তারা আমাদের কাছ থেকে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করছে। এই স্বপন মজুমদারের নেতৃত্বে গত ২০১৯ সালের ২৬ শে মার্চ মাদ্দাহখাঁ এন্টারপ্রাইজের পাইপ লাইনসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম লুটেপুটে নিয়ে গেছে। ওইসময় প্রায় ৭ লাখ টাকা ক্ষতিসাধন হয়েছে। শাহাদাত মজুমদার অবৈধভাবে আলীগঞ্জ এলাকায় জায়গা দখল, টেন্ডারবাজিসহ এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত। তিনিও বিভিন্ন ভাবে আমাদেরকে এখানে ব্যবসা করতে দিচ্ছে না। তার নেতৃত্বেই প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়ে আসছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। তাদের আরেক ভাই আজাদ মজুমদার। তিনি আলীগঞ্জ এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে। বালুমহাল করতে বাধা সৃষ্টি করতে সম্প্রতি বরিশাল থেকে আসা শ্রমিকদের দিয়ে সাক্ষী দেয়ার চেষ্টা করছে।

মাদ্দাহখাঁ এন্টারপ্রাইজের পরিচালকরা বলেন, এই চার ভাইয়ের সাথে নুরে আলম, রিপন মজুমদার, রুবেল মজুমদার, হাছান মজুমদার, আলমগীর হোসেন মজুমদার, ইব্রাহীম মজুমদার ও স্বপনসহ কয়েকজন দালাল চক্র রয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে অতি দ্রুত প্রশাসনের কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করবেন বলেও তিনি জানান মেসার্স মাদ্দাহখাঁ এন্টারপ্রাইজের পরিচালকবৃন্দ।

বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে মুঠোফোনে শাহাদাত মজুমদার বলেন, আমরা এখানে কেন বাধা দিবো? আমি কোন অভিযোগ দেইনি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

ট্যাগ: