মনে পড়ে দিলীপ স্যারের কথা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ মে ১৫, ২০২০ | ৯:৪৯
ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ মে ১৫, ২০২০ | ৯:৪৯
Link Copied!

#মাজহারুল ইসলাম রনি
শিক্ষা জীবনের তৃতীয় শিক্ষক দিলীপ স্যার (দিলীপ সাহা)- স্যার ছিলেন অংক ও বিজ্ঞানের শিক্ষক। ক্লাস সিক্সে উঠার পর হরেন্দ্র স্যারের পরামর্শে আম্মা দিলীপ স্যারকে ঠিক করেন আমাকে পড়ানোর জন্য। স্যার রাগী ছিলেন। স্যারের কাছে সিক্স থেকে সেভেন পর্যন্ত পড়েছিলাম। ক্লাস এইটে হাজীগঞ্জ চলে আসি।

একদিন বৃষ্টি হওয়ার কারণে স্কুলে যাই নাই, যদিও বৃষ্টি অতো বেশি ছিলোনা কিন্তু এরপরও যাই নাই। একেতো স্কুলে যাই নাই, তারপর সারাদিন মাঠে কাদার মধ্যে ফুটবল খেলেছিলাম। স্যার যখন বিকালে পড়াতে আসলো, এসে দেখে আমি পড়ার টেবিলে নাই। এর মধ্যে মামা স্যারের কাছে বিচার দিলো- আমি স্কুলে যাই নাই।

আমি যখন পড়ার টেবিলে আসলাম সাথে সাথেই স্যার টেবিলের উপর একটা চিরুনি ছিলো, সেটা দিয়ে ইচ্ছাতরে মাইর দিলো। যেই পরিমান দুষ্টু ছিলাম। তাতে মনে হয় স্কুল জীবনে স্যারদের কাছে মাইর না খেলে হয়তো গ্রাজুয়েশনই কমপ্লিট করতে পারতাম না!

বিজ্ঞাপন

মফস্বলের ছেলেদের স্যারদের কাছে মাইর খাওয়ার অভিজ্ঞতা কমবেশি সবারই আছে।

দিলীপ স্যার খুব ভালো গিটাপ বাজায়। চাঁদপুরের সেরা গিটারিস্টদের একজন। স্যার যতোবার বলতো তোরে পড়াশোনা পাশাপাশি গিটার শিখাবো। আমি তখনই বলতাম বেহালা বাজানো শিখতে চাই। স্যার এখন চাঁদপুর শিল্পকলা একাডেমির গিটারের প্রধান শিক্ষক। স্যারের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

ট্যাগ: