হাজীগঞ্জে একটি হাসপাতালের এক্স-রে বিভাগে ধর্ষণ, বিচার চাইলেন বাবা

পপুলার বিডিনিউজ রিপোর্ট
আপডেটঃ আগস্ট ৩০, ২০২০ | ২:০৫
পপুলার বিডিনিউজ রিপোর্ট
আপডেটঃ আগস্ট ৩০, ২০২০ | ২:০৫
Link Copied!
হাজীগঞ্জ উপজেলার দ্বাদশগ্রাম ইউনিয়নের চেঙ্গাতলী বাজার সংলগ্ন ডা. এমজি ফেরদৌস হাসপাতালের এক্সরে টেকনিশিয়ান সিরাজুল ইসলাম (৩৪) হাসপাতালের সহকারীর এক্স-রে টেকনিশিয়ানকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার বাদী সহকারী এক্স-রে টেকনিশিয়ানের বাবা শাহেদ আলী। শাহেদ আলী একই দ্বাদশগ্রাম ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
এদিকে ডা. এমজি ফেরদৌস হাসপাতালের এক্স-রে টেকনিশিয়ান সিরাজুল ইসলামের গ্রামের বাড়ী লালমনিরহাট জেলা ও থানার তেলিয়াপাড়া গ্রাম।
অভিযোগে সাহেদ আলী বলেন, তার মেয়েকে এক্সরে টেকনিশিয়ান সিরাজুল ইসলাম একা পেয়ে জুলাই মাস থেকে শ্লীলতাহানি করে আসছে। তৃতীয়বারের মতো গত ২৯ আগস্ট শনিবার সকালে  এক্সরে টেকনিশিয়ানের কক্ষে একা পেয়ে হাসপাতালের ৩য় তলায় এক্স-রে বিভাগে জোরপূর্বক  ধর্ষণ করে। ওই সময় তার মোবাইল ছিনিয়ে নেয় সিরাজুল ইসলাম।
বিষয়টি তার মেয়ে পরিবারের লোকজনদেরকে জানায়। পরে ইউপি চেয়ারম্যানসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে পুলিশকে খবর দেয়।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সিরাজুল ইসলাম ও শাহেদ আলীর মেয়েকে থানায় নিয়ে আসে। মেয়ের বয়স ১৬ বছর।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই বেলাল বলেন, মেয়েকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সদর হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। অপরদিকে সিরাজুল ইসলামকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
হাজীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ আলমগীর হোসেন রনি ধর্ষণ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সহকারী টেকনিশিয়ানের বাবা শাহেদ আলী ২৯ আগস্ট শনিবার রাতে থানায় এসে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

ট্যাগ: